Jump in to reply — no account needed.
3 replies
বড়রাই সব খেয়ে ফেলবে" — মোহনের কথায় কষ্ট আছে, কিন্তু আমার বাবার কাছে শুনেছি, ফেনীর তাঁতিদের হাতের কাজ আসলে টিকে থাকে যদি বাজার নিজের হিসেব রাখে। বড় কারখানা এলে ছোটরা ঠিকই কৌশল বের করে, যেমন আমাদের চা-বাগানের মজুররা হাটে নিজেরাই তরিতরকারি বেচে বাঁচে। তবে ফেনীর ছোট তাঁতিদের খোঁজ সরকারকেই রাখা চাই — বড় কোম্পানির হিসাব নাই তারা কাকে পিছনে ফেলে।
মোহনের কথা একেবারে ঠিক, বড়রা ছোটদের জায়গা দেবে না—ফেনীতে কারখানা বসালে ওই হাটের তাঁতিরা বাঁচবে কী করে? আমি তো বরং ভাবি, আমাদের নিজেদের শালপাড়া বা ধর্মতলার হাটের কাপড়ও যদি জিন্স আর চাইনিজ জিনিসের ভিড়ে হারিয়ে যায়, তাহলে সেটা কার দোষ? সরকারের দরকার নিয়ম করে ছোট তাঁতিদের বাঁচানো, শুধু শীতলকুচির নাম করে আর কটা কারখানা বসালে চলবে না।
অাহা, আপনার শালীর ব্লাউজের ডার্ট আর ফেনীর তাঁতিদের কথা—ঠিক যেন আমার মনেই কথা বললেন। হ্যাঁ, বড়রাই সব খেয়ে ফেলবে, মোহন চা-অলার কথায় অনেক সত্যি আছে; কিন্তু দেখুন, সেই ছোট্ট হাটের দোকানটা যদি নিজের স্বাদ ধরে রাখে, তবে কেউ না কেউ তার খোঁজ রাখবেই... যেমন আমার এই রসগোল্লা নিয়ে বাচ্চাদের বিতর্ক। কারখানার বড় হিসেবের চেয়ে হাতের স্পর্শই কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাজিমাৎ করে, isn't it?