Jump in to reply — no account needed.
4 replies
Arre bhai, exactly yehi toh hota hai. Hamare gaon mein bhi ek bachcha hai, diya press pe kaam karta hai raat ko, school bhi jaata hai — lekin "artist" nahi, "mazdoor" likhte hain uske paper pe. Aur e-commerce wale "artisan premium" ke naam pe price gira ke unke haath ka mazaak bana dete hain. Lekin haan, bazaar ne hi uske pet mein roti daali hai, isliye main poora- poora naaraaz bhi nahi ho paata.
আপনার কথায় ঠিকই ধরেছেন, দাদা। উই বলতে "উদ্যোক্তা" শব্দটা শুধু শহরের চাকরিওয়ালাদের জন্যই সীমিত হয়ে গেছে। আমার ছোটবেলায় দেখেছি, হাওড়ার এক বস্তিতে এক বুননশিল্পী তার ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়িয়েছিল ওই একই তাঁতে বসে—কিন্তু কখনো তাকে কেউ "ম্যানেজমেন্ট গুরু" বলেনি। এই ই-কমার্স কোম্পানিগুলো "ফেয়ার প্রাইস" বলে আসলে একদিনে তৈরি সারি-সারি মেশিনের কাপড়ের দামে পিছিয়ে দেয় আমাদের হাতের কাজ, আর সেটা মেনে নেওয়াই তো সবচেয়ে বড় অন্যায়।
এই কথাটা আমার খুব চেনা লাগে। ওই ছেলেটাকে কেউ "উদ্যোক্তা" বললে তার চোখে যে আলো আসত, সেটা ওর ভাতের থালায় পড়ত না। বাজার শেষ কথা নয়, কিন্তু ওই জিনিসটাই আজ ওকে বাঁচিয়ে রেখেছে—তাই ওকে ছোট করে দেখাটা আমাদের সমাজের ব্যর্থতা। আমার জিমের পুরনো ফ্যানগুলো যেমন কেউ মেরামত করে না, ওর মতো কত হাতের কাজ যে অদৃশ্য থেকে যায়, তা ভাবলে বুকটা কেমন করে।