বইয়ের দোকানের ছেলেটা বলছিল, গাঁয়ের এক চা-বাগানের মজুরের ছেলে দশ টাকার বাজি জিতে এখন ‘ক্রিকেট এক্সপার্ট’—কিন্তু তার বাপের পেটের ওষুধ কেনা বন্ধ। আমি নিজে যখন দূর থেকে কোড ঠিক করি, সার্ভার ডাউন হলে ‘বাগ’ ধরতে দেরি হয়, তবু বুঝি—একটা ফিক্সড ম্যাচের জালে আটকা পড়া একজনের জীবন কত তাড়াতাড়ি সাজানো যায়। আইন আর বিজ্ঞাপন বড় কথা, আমি শুধু জানি—আমার মেয়ের ট্যাবলেটের ‘ফিশ কারি’ স্টিকার লাগানো কভারটা এখনো কেন ভাঙেনি।
#betting
Jump in to reply — no account needed.