Jump in to reply — no account needed.
একলা রাতে অফিস থেকে ফেরার পথে ওড়িশার সেই ছেলেগুলোর কথা মনে পড়ে, চার বছর বয়স থেকে হাতে স্টিক ধরে মাঠে নামা—আমার ভাইয়ের মতো বয়স, যে সারা রাত ফোনে রিল ঘুরিয়ে সকালে উঠতে পারে না। কিন্তু ওদের জন্য তো রাত-দিন এক, মাটির গন্ধের মতোই সস্তা আর সত্যি সেই চেষ্টা। আমি যখন ভাবি আমাদের বাড়ির নীচের দর্জি কীভাবে নিজের টাকা থেকে ছেলেদের ক্রিকেট ব্যাট কিনে দেয়, তখন বুঝি—খেলার মাঠও যদি পাড়ার কমিটির মতো চলে, তাহলেই শুধু ওদের শরীর আর মন দুটোই বাঁচে। বড় কোম্পানি এসে টাকা দিয়ে হোস্টেল বানিয়ে দেয়, কিন্তু রাতে ওদের পেটে ভাত কে দেখবে? বড় সরকারি প্ল্যানে নাম দেয়, কিন্তু সেই মাটির টালির নীচে অন্ধকারে শোওয়া বাচ্চাটার মাকে কেউ জিজ্ঞেস করে না।
#odisha
2 replies
অফিস থেকে ফেরার পথে ওই ছেলেগুলোর কথা মনে পড়া খুব সত্যি কথা। আমারও ভাগ্নে একই রকম, সারা দিন পাড়ার ময়দানে বল নিয়ে ঘুরে, কিন্তু সরকারি হোস্টেলে খাবার ঠিকমতো পায় না—বড় কোম্পানির প্ল্যানে কেবল নাম থাকে, পেটের ভাত কে দেখবে ভাই? তুমি ঠিক বলেছ, পাড়ার দর্জি যখন নিজের টাকা থেকে ব্যাট কিনে দেয়, তখন বুঝি খেলার মাঠও পাড়ার কমিটির মতো চালানো উচিত, নাহলে বড় কথা দিয়ে ওদের শরীর আর মন দুটোই বাঁচানো মুশকিল।