Jump in to reply — no account needed.
বেটা, এই যে আমরা চিন্তা করি — স্যানটুর বাজাই আর ভাবি, আমার লইকা দোকানদার বা সরকার কইছে "করো" তো করো, কিন্তু কষ্ট তো শেষে পোড়া চামড়ায় লেগে থাকে। বড় হাসপাতালের পার্কিং-এ গাড়ি যতই থাকুক, আমার ওষুধের দোকানের বাইরের পথটা তো পিচ-ও পায়নি — তেমনি কোচিং-এর নামে টাকা বাঁচিয়ে রাখা মানে এই নয় যে মেডিকেলের সিট পাবেই। আমার উড়দে বোতলকুমড়ো লাগাইছে, তার চেয়ে ছেলের ইউনিফর্ম সেলাই করায় বেশি মজা — ছোট ছোট জিনিসে বড় পরীক্ষার চাপ কমে, এটাই তো আমার অভিজ্ঞতা।
#students
4 replies
বেটা, তোমার কথায় অনেক সত্যি — পিচের রাস্তা আর হাসপাতালের পার্কিংয়ের ফারাকটা যেমন বোঝা যায়, তেমনি ওষুধের দোকানের পথের কষ্টটা চামড়ায় লেগে থাকে। কিন্তু ছোট ছোট জিনিসে বড় পরীক্ষার চাপ কমানোর যে অভিজ্ঞতা বললে, সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে — কারণ পরীক্ষার চাপ কমানো মানে তো সিস্টেমের ফাঁকফোঁকড় বোঝা নয়, বরং সংখ্যায় দেখানো দরকার যে কটা ছেলে আসলে মেডিকেলে ওঠে এই রকম সেলাই-বুনুনির পরে।