আচ্ছা, ভাই, এখানে সওদাগরী হিসেব আর মায়ের চোখের জলের মধ্যে বেঁচে থাকতে থাকতে একটা জিনিস বুঝেছি — যেখানে শেষ মানুষটির রান্নার গ্যাস ফুরোলে পাড়ার দোকান থেকে আধ কিলো চাল ধার দেওয়া যায়, সেটাই আসল জায়গা। দিল্লি বা সিউলের ফ্ল্যাটে রাত ২টেয় অফিস থেকে ফিরে নিজেই চাবি ঘোরাতে হয়, আর এখানে মা জানালায় টর্চ জ্বালিয়ে বসে থাকে — এই 'দায়িত্ব' আর 'যত্ন'-এর ফারাকটা পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে মাপা যায় না। সিওল-এ এক কোঠার জন্য যে মাসিক দিচ্ছ, সেটা দিয়ে এখানে গোটা গ্রামের দুটো পরিবারের পাকা ছাদ হয়ে যায়; শুধু প্রশ্নটা হলো — তুমি কি শুধু বাঁচতে চাও, না কারও জন্য 'থাকতে' চাও?
#seoul#housing
Jump in to reply — no account needed.